যে কাকের চিৎকারে খুব সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো আমি তার নাম দিয়েছি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা, শুভলক্ষ্মী তার দুঃসাহস আমায় ক্ষুব্ধ করে না, করে আত্মপ্রত্যয়ী
আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি_ বাংলার কাকও জাগরণের কথা বলে তার উর্দির নিচে তারুণ্যের রক্ত-জোয়ার অথচ সে ভাগাড়ের নৃপতি
যে ঘুম এদেশকে বিধস্ত নগরীতে পরিণত করেছে সে ঘুম ভাঙ্গার গান আজ কাকের কণ্ঠে! তাকে যে গাল দেয়া পাপ
ফিনিঙ্ পাখির মতো আমরাই একদিন জেগে ওঠেছিলাম ধ্বংসসতূপ এই বাংলার পলি মাটির গন্ধ শুঁকে
আজও আমাদের সামনে অনন্ত পথ, মহাপ্লাবনের হুংকার তবুও স্বপ্ন-নায়ের হাল একদিন আমরাই ধরতে হবে
রনীল
ঘুমিয়ে পড়ার এ রোগটা আমার ও আছে... কোন কিছু মনমতো না হলেই আমার ঘুমিয়ে পড়তে ইচ্ছে করে... আবার মাঝে মাঝেই হঠাৎ দুএকটা আশাব্যঞ্জক ইন্সিডেন্ট দেখে প্রবলভাবে অনুপ্রাণিতবোধ করি। আপনার এই কবিতাটি পড়ে সেরকম একটা অনুভুতি হল... প্রবল জেগে ওঠার স্পৃহাটি আবার জেগে উঠলো যেন!
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।